আমি
কিছুদিন ধরে খুব মানসিক সমস্যায় ভুগছি। প্রায় ৬ মাস আগে একটি মেয়েকে আমি
ভালোবাসি। সে ও আমাকে ভালোবাসে। আমরা বিয়েও করেছি। আমাদের বিয়ের আগে ওর আরো
একটি বিয়ে হয়েছিলো, আরেক স্বামী ছিল। আমাকে বলেছিলো সে ওই ঘরে যায়নি এবং
সংসারও করেনি। আমি বিশ্বাস করেছি, যদিও তা মিথ্যা ছিল।সে বলেছে সে পড়াশোনা করে কিন্তু সেটাও সে মিথ্যা বলেছিলো যা আমি বিয়ের পর জানতে পারি। এছাড়াও সে অনেক কিছুই মিথ্যে বলেছিলো যা আমি পরে জানতে পারি। আমি তাকে বুঝাই যে সে যা করেছে তা ভালো করেনি। সে অঙ্গীকারও করেছে আর মিথ্যা বলবেনা। ও যখন মোবাইলে কথা বলত, তখন কেউ সামনে এলে সরে যেত। কল লিস্টে আমার নম্বর ছাড়া কারো নম্বর রাখত না। আমার মা বাবা জিজ্ঞেস করলেও কিছু বলতো না। ও বাপের বাড়ি গেলেও ঘরে ঠিকমত থাকেনা এবং কোথায় যায় কাউকে বলেনা।
একদিন আমার খুব রাগ হয়, আমি তাকে হ্যাঙ্গার দিয়ে তার হাতে ৩টা বাড়ি দেই এবং তাকে বুঝাই সে যা করছে ভালো করছেনা। তাকে বলি তাঁর চলাফেরা আমার পরিবার পছন্দ করছেনা। একদিন হঠাৎ ওর বাবা আমাকে কল দিয়ে জানায় ও সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমার সাথে আর সংসার করবেনা। তিনি কোর্ট থেকে ডিভোর্স পেপার পাঠানোর কথাও বলেন। আমি আমার পরিবারকে এ কথাগুলো জানাই। তারা আমার ওয়াইফের সাথে কথা বলে। আমিও তার সাথে কথা বলতে চাই কিন্তু তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখায়।
কয়েকদিন আগে ডিভোর্স পেপার হাতে পেলাম। খুব মানসিক কষ্টে আছি। আমি কী করবো। আমার কী করা উচিত?
মিথ্যা কথা বলে বিয়ে করে আপনার স্ত্রী নিঃসন্দেহে অনেক বড় অন্যায় করেছেন, কিন্তু তাঁর গায়ে হাত তুলে আপনিও ভালো কাজ করেন নি। যত যাই হোক স্ত্রীর গায়ে হাত তুলতে পারেন না আপনি।
আপনার চিঠি পড়ে যা মনে হচ্ছে, সেটা হলো আপনি ও আপনা পরিবার স্ত্রীকে সন্দেহ করছেন। একজন মানুষ কারও সামনে ফোনে কথা বলে না মানেই যে সে পরকীয়া করছে বিষয়টি তেমন নয়। তাছাড়া একজন মানুষের কোথায় যাবেন না যাবেন, সেটাও যে সর্বক্ষণ শ্বশুরবাড়িকে জানাতে হবে, সেটাও সঠিক নয়। হ্যাঁ, আপনি তাঁর জীবন সঙ্গী। আপনি জিজ্ঞেস করার পরও যদি তিনি কোন জবাব না দেন, তাহলে সেটা নিয়ে সন্দেহ করা যেতে পারে।
যাই হোক, স্ত্রী যেহেতু ডিভোর্স পেপার পাঠিয়েই দিয়েছে এবং আপনার সাথে কথা বলতেও সে আগ্রহী নয়, তাতে এটা স্পষ্ট যে তিনি আপনার সাথে সংসার করতে চান না। আপনি তাঁর সাথে কথা বলার শেষ চেষ্টা করে দেখুন। তাঁর পরিবারের সাথেও কথা বলে দেখুন। যদি কোন ফল না হয়, তাহলে এই ডিভোর্স মেনে নেয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। মানুষকে তো জোর করে বেঁধে রাখা যায় না ভাই। স্ত্রী পরকীয়া করলে যেমন আটকে রাখতে পারবেন না, তেনি ডিভোর্স দিতে চাইলেও আটকে রাখাটা বোকামি হবে।




![[Must See] লুচ্ছা নবি মুহাম্মদ[নাউজুবিল্লাহ]পেজে রিপোর্ট করারনিয়ম। [Must See] লুচ্ছা নবি মুহাম্মদ[নাউজুবিল্লাহ]পেজে রিপোর্ট করারনিয়ম। [Must See] লুচ্ছা নবি মুহাম্মদ[নাউজুবিল্লাহ]পেজে রিপোর্ট করারনিয়ম। [Must See] লুচ্ছা নবি মুহাম্মদ[নাউজুবিল্লাহ]পেজে রিপোর্ট করারনিয়ম।](http://4.bp.blogspot.com/-73e3hFZ3R1w/U8aAAbc4PsI/AAAAAAAAEYo/WmYe7bx-uo0/s1600/no-image.png)






![☞ [Hacked] এইবার শুধু ওয়াইফাই না… ওয়াইফাই রাউটার হ্যক করুন। ☞ [Hacked] এইবার শুধু ওয়াইফাই না… ওয়াইফাই রাউটার হ্যক করুন।](http://wapkaimage.com/1567/1567451_6e5459957b.png)


















